• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / লাইফস্টাইল / গেরুয়া রঙের কারণেই গাজর হার্টের পক্ষে উপকারী

গেরুয়া রঙের কারণেই গাজর হার্টের পক্ষে উপকারী

May 4, 2021 Category: লাইফস্টাইল
গেরুয়া রঙের কারণেই গাজর হার্টের পক্ষে উপকারী

হাইলাইটস

  • শাক সবজি না খেলে শরীর ভালো থাকে না। ছোটোবেলা থেকেই মা ঠাকুমাদের মুখে একথা শুনে বড় হয়েছে বাঙালি।
  • সবজি মানে কুমড়ো, বেগুন, ঢ্যাঁড়শ, পটল, বিট, গাজর এইসব আর কি।
  • কাঁচা গাজর খেলে চোখ ভালো থাকার টোটকা তো ঘরে ঘরে জনপ্রিয় ছিল।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শাক সবজি না খেলে শরীর ভালো থাকে না। ছোটোবেলা থেকেই মা ঠাকুমাদের মুখে একথা শুনে বড় হয়েছে বাঙালি। সবজি মানে কুমড়ো, বেগুন, ঢ্যাঁড়শ, পটল, বিট, গাজর এইসব আর কি। কাঁচা গাজর খেলে চোখ ভালো থাকার টোটকা তো ঘরে ঘরে জনপ্রিয় ছিল। নয়ের দশকের মায়েরা সন্তানকে সবজি খাওয়ানোর আশায় চাউমিন, চিঁড়ের পোলাও কিংবা নোনতা সুজিতে গাজ, বিনস্, কড়াইশুঁটি মিশিয়ে দিতেন। আর বলাবাহুল্য বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই সবজিগুলো বেছে ফেলে দিয়ে মন দিয়ে চাউমিনটুকুই শেষ করত। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাজর, বিনস্, ক্যাপসিকাম, কড়াইশুঁটির স্বাদ বুঝতে পারে তারা। বিশেষ করে যে গাঁজর খেলে নাকে গন্ধ লাগত সেই গাজরই রান্নায় বড় ভূমিকা নিতে শুরু করে। শুধু স্বাদ বা রঙের জন্যই নয়। গাজরের পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও সজাগ হন সকলে।

প্রতিদিন নিয়ম করে কাঁচা গাজর বা ফাইবার সহ গাজরের রস ওজন কমাতে বা চোখের দৃষ্টির জন্য যে উপকারী তা কম বেশি সকলেই জানেন। কিন্তু গাজর যে হার্টের পক্ষেও দারুণ উপকারী তা জানতেন কি?

গাজরে আছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালশিয়াম, এবং বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ। এগুলি ওজন কমাতে, হজম শক্তি বাড়াতে, চোখ এবং ত্বক ভালো রাখতে দারুণ উপকারী। গাজরের গেরুয়া রং আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কীভাবে? গাজরে থাকা বিটা-ক্যারোটিনের কারণে এর রং গেরুয়া হয়। এই বিটা-ক্যারোটিন শরীরের গিয়ে ভিটামিন এ-তে পরিণত হয়। গবেষকদের মতে, এই ভিটামিন এ রক্তের খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে অসম্ভব সক্রিয়। শরীরে ডায়াবিটিস, কোলেস্টরল, অবাঞ্ছিত চর্বি উৎপাদনকারী অ্যাথেরোক্লিরোসিস তৈরিতে বাধার সৃষ্টি করে। আর এরফলে হার্ট থাকে সুস্থ সবল।

গাজরের গুণাগুণ তো জানলেন এবার গাজরের কয়েকটি সুস্বাদু রেসিপি জেনে নিলে কেমন হয়?
গাজরের হালুয়া কিংবা সবজির তো অনেক রেসিপিই জানা আছে। এবার কয়েকটা অন্যধরনের সুস্বাদু অথচ পুষ্টিকর রেসিপির খোঁজ দেওয়া যাক।

কমলা-গাজরের জুস
আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে আজকাল প্রায় সারা বছর সবধরনের সবজিই বাজারে পাওয়া যায়। গাজর এবং কমলালেবুও পেয়ে যাবেন অনায়াসে। শরীরকে ডিটক্স করার জন্য এই দুই ফল-সবজির জুড়ি মেলা ভার। আর কমলা-গাজরের জুস তৈরি করাও দারুণ সহ। জুসারে আলাদা আলাদাভালে গাজর এবং কমলা লেবুর রস বের করে নিন। এবার একটি পাত্রে দুটি রসই মেশান। তাতে দিন একচিমটে হলুন এবং সামান্য আদাবাটা। ব্লেন্ডারে সমস্ত উপকরণ ভালো ভাবে মিশেয়ে গ্লাসে ঢালুন। প্রতিদিন এই জুস খেলে শরীর থাকবে তরতাজা।

আদা-গাজরের স্যুপ
রাতের খাবারের জন্য আদর্শ এই আদা-গাজরের স্যুপ। অসুস্থ রোগীর পথ্য হিসেবেও বেশ ভালো। গাজর পাতলা পাতল গোল গোল করে কেটে নুন দিয়ে অলিভ অয়েলে ভেজে হালকা ভেজে নিন। তাতে পেঁয়াজ এবং আদা কুচি দিয়ে ফের ভালো করে ভাজতে থাকুন। সমস্তটা নরম হয়ে গেলে তাতে মিশিয়ে দিন ভেজিটেবল স্টক। হাতা দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। স্যুপ পছন্দমতো গাঢ় বা পাতলা করার জন্য ভেজিটেবল স্টক মেশাতে হবে পরিমাণ মতো। সবশেষে ব্লেন্ডার দিয়ে স্যুপ ব্লেন্ড করে নিন। গরম গরম এই স্যুপ শরীরের ক্লান্তি আর পেটের খিদে দুটোই দূর করে দেয়।

Weight Loss: রাতে ঘুমানোর আগে এই ৫টি খাবার খান, ওজন বাড়বে না!

ক্যারোট ক্র্যাকার
সন্ধ্যার চায়ের সঙ্গে ক্যারোট ক্যাকার জাস্ট কমে যাবে। এটি তৈরি করাও বেশ সহজ। একটি পাত্রে আটা, এক চিমটে সর্ষে গুঁড়ো, এবং মাখন দিয়ে ভালো করে ময়ান দিন। এতে এক এক করে মেশান জিরে, গ্রেট করা গাজর, গ্রেট করা চিজ, ডিমের কুসুম এবং সামান্য জল। ভালো করে মেখে একটি নরম মসৃণ ডো তৈরি করে ফেলুন। আধঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন। এরপর হালকা চাপ দিয়ে ছোটো লুচি বা গোল বিস্কুটের আকারে গোল করে বেলে নিন। মাইক্রোওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটে ১০-১২ মিনিট বেক করে নিন (যতক্ষণ না সোনালি রং হচ্ছে)। সামান্য ঠান্ডা করে গরম গরম চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন ক্যারোট ক্র্যাকার।

গাজরের আচার
গাজরের খোসা ছাড়িয়ে আঙ্গুলের সাইজের পিস করে কেটে নিন। তাতে মেশান গোটা সর্ষে, নুন, লঙ্কাগুঁড়ো, ভাজা মশলার গুঁড়ো এবং সর্ষের তেল। খুব ভালো করে মেশানোর পর পরিষ্কার কাঁচের বয়ামে মিশ্রণটি রেখে শক্ত করে মুখ বন্ধ করে দিন। আচার সহ কাঁচের বয়াম অন্তত এক সপ্তাহ রোদে রাখুন। রোজ একবার করে বয়ামটি ঝাঁকিয়ে নেবেন। পরটা, রুটি, মুড়ি, এমনকি এমনি এমনিও এই আচার খেতে দারুণ লাগবে।

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla
2021-05-04 19:57:16
Source link

You May Also Like…

মাইগ্রেন

মাইগ্রেন রোগীর যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতা

খতনা

খতনা করানোর উপযুক্ত বয়স কোনটি

কোন খাবারে বাড়ে ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল

কোন খাবারে বাড়ে ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল

লাউ

লাউ যেভাবে খেলে ওজন কমবে

Previous Post:লিকার চা যখন সুস্বাস্থ্যের কারণ - Kolkata24x7লিকার চা যখন সুস্বাস্থ্যের কারণ – Kolkata24x7
Next Post:ভ্যাকসিনকে আরও কার্যকরী করে তোলে শরীরচর্চা – Kolkata24x7ভ্যাকসিনকে আরও কার্যকরী করে তোলে শরীরচর্চা - Kolkata24x7

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top