• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / শীতে শিশুর ঠান্ডাজনিত সমস্যা

শীতে শিশুর ঠান্ডাজনিত সমস্যা

February 20, 2014 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

শীত পড়তে শুরু করেছে। আর এই সময় শিশুদের সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা লাগে। সাধারণ সর্দি-কাশি ও ভাইরাল জ্বর বা ফ্লু-এর সবচেয়ে বেশি প্রকোপ দেখা দেয় অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত, এই কয়েক মাসে। পাঁচ বছরের নিচে শিশুদের বছরে অন্তত নয়বার এ রকম ঠান্ডা সর্দি-কাশি হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এর বেশির ভাগই ভাইরাসজনিত সমস্যা এবং তেমন কোনো চিকিৎসা ছাড়াই সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে এই সময় শিশুদের নিউমোনিয়া, হঠাৎ বেড়ে যাওয়া হাঁপানি ইত্যাদিরও প্রকোপ যাবে বেড়ে।

সর্দি-কাশিতে ভয়ের কিছু নেই

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাইনো ভাইরাসই মূল দোষী। এতে নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া, খুকখুক কাশি, ঘড়ঘড় শব্দ ও সঙ্গে জ্বর, গা ম্যাজম্যাজ, এমনকি গলা বা কান ব্যথা—যেকোনো উপসর্গই হতে পারে। কারও কারও এর সঙ্গে বমি বা নরম মলও হয়। জেনে নিন এই উপসর্গ হলে কী করবেন।

—নাক বন্ধ বা নাকে সর্দির জন্য নরমাল স্যালাইন ড্রপ বা বাড়িতে তৈরি স্যালাইন পানি দিয়ে একটু পর পর নাক পরিষ্কার করে দিন। শিশুকে পাশ ফিরিয়ে নাকে পানি গড়িয়ে পড়তে দিন ও টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। প্রচলিত কফ সিরাপ বা অন্য কোনো ওষুধ না দেওয়াই ভালো।

—ছয় মাস বয়সের নিচে কেবল মায়ের বুকের দুধই বারবার দিন। ছয় মাস বয়সের ওপর কাশি থাকলে কুসুম গরম পানিতে মধু, আদার রস বা তুলসী পাতার রস, লেবু দিয়ে গরম পানি বা চা ইত্যাদি দিতে পারেন। এগুলো কফ তরল করতে সাহায্য করবে।

—সর্দি-কাশি বা অরুচির জন্য শিশু একবারে বেশি খেতে পারে না, তাই বারবার খাবার দিন। পানিশূন্যতা রোধে তরল খাবার বেশি দিন। ভিটামিন সি-যুক্ত ফল, যেমন: লেবু, কমলা, মালটা, আমলকী ইত্যাদি উপকারী।

কখন সতর্ক হবেন

সাধারণ যত্ন ও পুষ্টি বজায় রাখলে এই সমস্যা সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেরে যাওয়ার কথা। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি জটিলও হয়ে যেতে পারে। লক্ষ রাখুন কয়েকটি বিষয়। যদি শিশু ঘন ঘন শ্বাস নিতে থাকে, নিঃশ্বাসের সঙ্গে পাঁজর ভেতর দিকে দেবে যায়, শিশু খাওয়া বন্ধ করে দেয় ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে, খিঁচুনি হয় বা জ্বর অনেক বেড়ে যায় বা দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে অবশ্যই নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

অধ্যাপক তাহমীনা বেগম
শিশু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, নভেম্বর ২৪, ২০১৩

Tag: তাহমীনা বেগম

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:টমেটোর অনেক গুণ
Next Post:মায়ের খাবারে শিশুর অ্যালার্জি!

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top