• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / ১৮+ / নারীর মনোপজ এবং শারীরিক মিলন

নারীর মনোপজ এবং শারীরিক মিলন

August 12, 2009 Category: ১৮+

নারীর জীবনে মনোপজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নারীর জীবনের প্রজনন শীতলতার শেষ পর্যায় বা সমাপ্তির পর্যায় হলো মনোপজ। মনোপজ প্রতিটি নারীর জীবনে অবশ্যম্ভাবী দেখা একটি বিষয়। নারীর বয়স মধ্যাবস্থায় উপনীত হলেই মনোপজ শুরুর বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। নারীর বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর হলেই মনোপজ হতে পারে। মোটামুটি এই বয়স সীমাই হলো মনোপজের সময়কাল। তবে কোনো কোনো নারীর েত্ের এই সময়ের আগে বা পরে মনোপজ হয়ে যেতে পারে। সচরাচর এ রকম দেখা যায় যে অনেক নারীর ৪৫ বছরের মধ্যেই মনোপজ সম্পন্ন হয়। ৩৮ বা ৪০ বছর বয়সেও অনেক নারীর মনোপজ হয়ে যেতে পারে। তবে এটি খুব একটা সচরাচর দেখা যায় না। মনোপজ পূর্ব সময়ে বা মনোপজকালীন বা মনোপজ উত্তর নারীর জীবনে শারীরিক এবং মানসিক নানা পরিবর্তন দেখা দেয়। কখনও কখনও এই পরিবর্তনের উপসর্গগুলোও দেখা দিতে পারে। প্রায় প্রতিটি নারীর েত্ের প্রাক মনোপজকালীন স্বাভাবিক উপসর্গগুলো এরকম-

প্রাক মনোপজকালীন মানসিক উপসর্গ-
বিরক্তির উদ্রেক।
উদ্বিগ্নতা।
দুশ্চিন্তা।
বিষণ্নতা মৃদু অথবা কড়া।
প্যানিক এটাক।
ভালো না লাগা।
রাগান্বি হওয়া।
দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভোগ।
খাবারের ব্যাপারে অনীহা।
অহেতুক বিরক্তি ভাব।

প্রাক মনোপজকালীন শারীরিক উপসর্গ-
তলপেটে ব্যথা।
তলপেটে অস্বস্তিবোধ।
বুকে ব্যথা।
স্তনে ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ।
ওজন বৃদ্ধি।
রাত্রিকালীন ঘাম হওয়া।
মাথা ব্যথা।
পিঠ ব্যথা।
ঘুমের সমস্যা।
দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব।
শরীরে জ্বালাপোড়া অনুভূতি।
শারীরিক এলোমেলো ভাব।

মনোপজ পূর্ব এবং মনোপজ উত্তর হার্টের সমস্যা-
মনোপজপূর্ব এবং মনোপজ উত্তর হার্টের সমস্যায় বহু নারী ভুগে থাকে। তবে মনোপজ পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ আক্রান্ত হবার ঝুকি যে কোনো সময়ের চাইতে কমে যায়। এই সময়ে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বহু নারীর হার্টের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ইস্ট্রোজেন হরমোন যারা বাহ্যিকভাবে এই সময়ে গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে আসে। মনোপজ পূর্ব এবং পরবর্তী হৃদরোগের সম্ভাবনা কমাতে বা নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিুাকে্ত বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দিন-

ব্যায়াম-
বহু পরিায় দেখা গেছে মধ্য বয়সের পর থেকেই নারী যদি নিয়মিত ব্যায়াম করে তবে এটি তার শারীরিক সুষমা অবস্থার পাশাপাশি এর ফলে শরীরের ওজন কমানো যেতে পারে। কাজেই এই সময়ে ব্যায়ামের ব্যাপারে খেয়াল রাখুন।

সুষম খাদ্য-
স্যাচুরেটেড ফ্যাট খেতে হবে কম,কিন্তু তার পাশাপাশি সবুজশাক-সবজী এবং ফলমূল খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। আরো একটি বিষয় হলো যৌগিক কার্বোহাইড্রেটস সুষম মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত।

ফ্যাট কমাতে হবে-
অতিরিক্ত মাংস গ্রহণকারী নারীদের হার্টের সমস্যা তীব্র মাত্রায় প্রকাশ পেতে পারে মনোপজ পরবর্তী সময়ে। কাজেই এই সময় মাত্রাতিরিক্ত ফ্যাট বর্জন করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন মুরগীর খাওয়া যেতে পারে এবং সপ্তাহে একদিন মাছ খুব উপকারী। এতে করেই শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চলে আসবে। হেরিং ,স্যামন এবং ম্যাকারেল জাতীয় মাছ যারা খেতে পারেন, তাদের হার্টের সমস্যা খুব একটা হয় না। এছাড়াও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারীরা অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল গ্রহণ করে বিধায় তাদের হার্টের সমস্যা খুব একটা হয় না।

চিনি কমাতে হবে-
খাদ্যের তালিকা থেকে চিনিকে প্রধান্য দিন কম। চিনি যত কম খাওয়া যায় মধ্য বয়সের পরে হার্টের সমস্যা হয় ততো কম। চা বা কফির সাথে যতটুকু চিনি খাওয়া হয় ততো টুকুই শরীরের প্রয়োজনের সাথে মানানসই। এর বাইরে চিনিকে আলাদাভাবে গ্রহণের প্রয়োজন নেই।

খাদ্য তালিকা আঁশ যোগ করুন-
প্রচুর আঁশ জাতীয় খাদ্য আপনার সুষম স্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে। সাদা রুটি, সবুজ শাক সবজি, আপেল ইত্যাদি থেকে আপনি প্রচুর আঁশ গ্রহন করতে পারেন। ৪৫ বছর বয়সের পরে নারীর এমনিতেই হার্টের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে যদি খাদ্য তালিকার সাথে আঁশ যুক্ত করা যায় তবে কেবল মাত্র হার্টের অসুখ ছাড়াও নারীর অন্যান্য শারীরিক সমস্যার চাপ কমে আসতে পারে। অনেক নারীর েত্ের প্রাক মনোপজ কালীন এই উপসর্গগুলো দীর্ঘদিন থাকতে পারে। কারো কারো েত্ের এই উপসর্গের স্থায়িত্ব হয় দুই থেকে তিন দিন আবার কারো কারো েত্ের দুই থেকে তিন সপ্তাহ বা দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। প্রাক মনোপজের নানা উপসর্গকে ভীতির চোখে দেখেন। যদিও এতে ভয় পাবার কোনো কারণ নেই। প্রাক মনোপজ কালীন উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাক্তাররা যে মেডিকেশন প্রেসক্রাইব করতে পারেন সেগুলো হলো। পিল।
ভিটামিন বি-৬২০০ মিঃগ্রাঃ প্রতিদিন।
ডিউরেট্রিকস।
স্পিরোনোলাকটন।
পিমরোজ তেলের ক্যাপসুল।
প্রোজেস্টেরন (জননাঙ্গর সাপোজিটর) ২০০ থেকে ৮০০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন।
ডাইড্রোজেস্টেরন ১০ মিলিগ্রাম প্রতি দিন দুই বার।
ব্রোমোক্রিপটিন ২.৫ মিলিগ্রাম প্রতি দিন দুই বার।
মেফেনামিক এসিড ২৫০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন চার বার।
ফুয়োঙেটাইন (প্রোজাক) অথবা এই জাতীয় অন্যান্য ওষুধ।

সূত্রঃ প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ ফিরোজ

Tag: মোহাম্মদ ফিরোজ

You May Also Like…

স্বাস্থ্যকর সম্পর্কই সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় ‘মোটিভেশন’

দাম্পত্য সম্পর্ক উন্নয়নে ঘনিষ্ঠতা কেন জরুরি

এই সাত অভ্যাস বলে দেবে আপনারা দুজন দুজনার

এই সাত অভ্যাস বলে দেবে আপনারা দুজন দুজনার

ছবির বিষয় যৌনতা আর গুপ্তরোগ নিয়ে সচেতনতা

Previous Post:বৃদ্ধাবস্থায় এবং শারীরিক মিলন
Next Post:ডিপ্রেশন এবং শারীরিক মিলন

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top