• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / লাইফস্টাইল / সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে যেভাবে শ্বশুরমশায়ের মেয়ে হয়ে উঠবেন বৌমারা…

সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে যেভাবে শ্বশুরমশায়ের মেয়ে হয়ে উঠবেন বৌমারা…

June 18, 2021 Category: লাইফস্টাইল
সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে যেভাবে শ্বশুরমশায়ের মেয়ে হয়ে উঠবেন বৌমারা...

হাইলাইটস

  • শ্বশুর এবং বৌমার মধ্যেকার সম্পর্কও হয় খুব সহজ এবং সুন্দর
  • যদি আমরা আমাদের সেই আদ্যিকালের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসি।
  • আজকাল সব মেয়েই নানা ভাবে তাঁর নিজের জীবনটাকে গুছিয়ে নেন।
  • কেউই ঘোমটা টেনে সকাল-বিকেল মুখের সামনে চায়ের কাপ ধরবে না

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শাশুড়ি আর জামাই কিংবা বৌমা-শাশুড়ির সম্পর্ক নিয়ে যত কথা হয় তত কথা কিন্তু হয় না শ্বশুর-বউমা সম্পর্ক নিয়ে। কিন্তু জামাই-শাশুড়ির মতো এই সম্পর্কটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে একুশ শতকে এসে আজও কিন্তু আমাদের সমাজ পুরুষতান্ত্রিক। পরিবারের মূল দায়িত্ব কিংবা সিদ্ধান্ত ছেলেরাই নেন। কিন্তু বৌমার সঙ্গে স্বচ্ছন্দে মিশতে এখনও অনেক শ্বশুরই দ্বিধাগ্রস্ত। তৃণার সঙ্গে সুপর্ণর আলাপ কলেজ সূত্রে। সেখান থেকে প্রেম। যদিও সুপর্ণর বাড়িতে বিশেষ সে যায়নি। প্রথম যেদিন হবু বৌমার সঙ্গে সুপর্ণর মা-বাবা দেখা করলেন সেদিন থেকেই দারুণ একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল ওদের মধ্যে। বউমা ব্যবসা থেকে রাজনীতি সব বিষয়ে এত সচেতন দেখে খুবই খুশি হলেন শ্বশুর মশাই। সেই সঙ্গে যখন জানলেন যে তৃণা ওর কিছু বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে নতুন একটি কেকশপ খুলেছে তখন আরও খুশি হলেন। এরপর সোশ্যাল মিডিয়াতেও বৌমী-শ্বশুরের দারুণ বন্ধুত্ব জমে উঠল। এমনও হয়েছে রাজনীতির আড্ডা থেকে এমনই তর্ক হয়েছে যে সেদিন খাওয়া বন্ধ।

মা-বাবার একমাত্র মেয়ে তৃণা। কিন্তু বরাবরই সে বাবার বিশেষ ভক্ত। বাবার সঙ্গে তার তর্ক, ঝামেলা সবচেয়ে বেশি। আবার যে কোনও অন্যায় আবদার পূরণ করতে গেলে সেই বাবা। রান্না কিংবা ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক বাবার মতামত না পেলে যেন মনে শান্তি পেতনা সে। তবে বাবার মতো একই রকম আরেক বাবা পেয়ে খুবই খুশি সে। কারণ এই বাবাও মেয়েকে পেয়ে যার পর নাই আনন্দিত। মেয়ে চা করে খাওয়াচ্ছে আবার চিনি ছাড়া কেকও বানিয়ে দিচ্ছে। সেই সঙ্গে শাসনটাও কম করছে না। সব মিলিয়ে দারুণ জমে উঠেছে শ্বশুর-বউমা সম্পর্ক। মাঝেমধ্যে আবার বেয়াইয়ের সঙ্গে মজা করতেও ভোলেন না যে তাঁর আদরিনীর উপর এখন সমান অধিকার তাঁরও।

শ্বশুর এবং বৌমার মধ্যেকার সম্পর্কও হয় খুব সহজ এবং সুন্দর যদি আমরা আমাদের সেই আদ্যিকালের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসি। আজকাল সব মেয়েই নানা ভাবে তাঁর নিজের জীবনটাকে গুছিয়ে নেন। কেউই ঘোমটা টেনে সকাল-বিকেল মুখের সামনে চায়ের কাপ ধরবে না। সব মেয়েরাই সমাজ-অর্থনীতি-নিজের চাকরি নিয়ে যথেষ্ঠ সচেতন। সঙ্গে ফুটবল, ক্রিকেট আর ব্যাডমিন্টনও বেশ ভালো বোঝে। ফলে শ্বশুরবাড়ি এসেছে বলেই যে সে তার সমস্ত শখ আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে একটা খোলসের মধ্যে নিজেকে গুটিয়ে নেবে এমন কিন্তু একেবারেই নয়। কিন্তু কীভাবে সহজ সম্পর্ক তৈরি করবেন শ্বশুর-বউমার মধ্যে? রইল কিছু টিপস

শ্বশুর নয় বাবা হিসেবেই দেখুন- এ ব্যাপারে কিন্তু দুজনকেই এগিয়ে আসতে হবে। একজন নিজের মতো করে সম্পর্কটি সহজ করে নিতে চাইলেন আর অন্যজন এড়িয়ে গেলন তাহলে কিন্তু হবে না। সম্পর্কটা দুজনকেই সহজ করে নিতে হবে। নইলে একটা দূরত্ব থেকেই যাবে। তবে তার আগে অবশ্যই বুঝে নিতে হবে কে কতটা স্বচ্ছন্দ্য।

ভুল বোঝাবুঝি যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন- সম্পর্কে যাতে কোনও ভাবে ভুল বোঝাবুঝি না আসে অবশ্যই সেদিকে খেয়াল রাখুন। একে অপরের পছন্দ অপছন্দ বুঝতে হবে। সেই সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে বউমা যাতে তাঁর মতো করে থাকতে পারেন এ ব্যাপারে কিন্তু শ্বশুরকেও খেয়াল রাখতে হবে।

কোনও একটা সময় গল্প করুন- দিনের মধ্যে কোনও একটা সময় গল্প করুন। যে সময়ে একে অন্যের ছোটবেলার গল্প, কর্মক্ষেত্রের কথা এই সব একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করে নেবেন। পছন্দের বই, খাবার, সিনেমা নিয়েও অবশ্যই কথা বলবেন। প্রতিদিনের কার কী রুটিন এসবও একে অপরের জেনে রাখা ভালো।

সঞ্চয়, বিনিয়োগ ইত্যাদি নিয়েও কথা বলুন- কোথায় সঞ্চয় করবেন, কীভাবে করবেন কিংবা কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনার জন্য ভালো সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখুন। এবং এসব নিয়ে আলোচনা করুন। পরামর্শ নিন। এছাড়াও নিজের কোনও পরিকল্পনা থাকলে সেসব নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই কথা বলুন তাঁর সঙ্গে।পরামর্শ নিন।

সমর্থন থাকুক- বৌমা কোনও কিছু করছে মানেই খারাপ কিংবা বাড়ির বৌ কেন বাইরে যাবে, আয় করবে এই মানসিকতা থেকে সরে আসুন। বরং বৌমা নিজের উদ্যোগে কিছু করতে চাইলে তাঁকে সমর্থন করুন। তাঁর পাশে থাকুন। প্রয়োজনে অবশ্যই আপনি সাহায্য করুন। সেই উদ্যোগে শামিল হন।

সম্পর্ক হোক উষ্ণতায় মোড়া- বৌমাকে নিজের মেয়ে মনে করতে ক্ষতি কী! বেশিরভাগ পরিবারেই এখন এক সন্তান। কিংবা দুই। সেখানে অন্য বাড়ির থেকে যখন কেউ আসছেন তাঁকে আপন করে নিন। অযথা মানসিক অশান্তিতে যাবেন না। পরিবার, রুচি ইত্যাদি নিয়ে কুমন্তব্য করবেন না। এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla
2021-06-18 19:58:56
Source link

You May Also Like…

মাইগ্রেন

মাইগ্রেন রোগীর যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতা

খতনা

খতনা করানোর উপযুক্ত বয়স কোনটি

কোন খাবারে বাড়ে ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল

কোন খাবারে বাড়ে ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল

লাউ

লাউ যেভাবে খেলে ওজন কমবে

Previous Post:কীভাবে ক্যালেন্ডারে জুড়ে গেল ফাদার্স ডে? জানুন বিশেষ এই দিনটির অজানা কিছু তথ্যকীভাবে ক্যালেন্ডারে জুড়ে গেল ফাদার্স ডে? জানুন বিশেষ এই দিনটির অজানা কিছু তথ্য
Next Post:জেনে নিন গরমে টক দইয়ের সঙ্গে কিসমিস মিশিয়ে খাওয়ার উপকারীতাজেনে নিন গরমে টক দইয়ের সঙ্গে কিসমিস মিশিয়ে খাওয়ার উপকারীতা

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top