• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / ঘরোয়া জীবাণু মাইট থেকে মুক্ত থাকুন

ঘরোয়া জীবাণু মাইট থেকে মুক্ত থাকুন

October 29, 2008 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

আপনার সন্তানের হয়তো হাঁপানি। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধপত্র সেবন করাচ্ছেন, কিন্তু ভালো হচ্ছে না। আপনার বা আপনার পরিবারের কারও ঘন ঘন হঠাৎই সর্দি লাগে, হাঁচি হয়, নাক ঝরে, শেষে সাইনোসাইটিস হয়। ঘরের ধুলার কারণে এসব হতে পারে। ঘরের ধুলাবালির কারণে আমাদের কিছু অসুখ হয়। ঘরের ভেতর থাকা ধুলায় এক ধরনের আণুবীক্ষণিক কীট থাকে। এগুলোকে হাউস ডাস্ট মাইট বা ঘরোয়া জীবাণু বলে।

প্রতিটি বাড়িতেই মাইট আছে।
এগুলোর বিষ্ঠা অনেকের অ্যালার্জির কারণ। এ অ্যালার্জির জন্য হাঁপানি বা অ্যাজমা, হে ফিভার (ঘন ঘন হঠাৎ সর্দি লাগে, হাঁচি হয়, নাক ঝরে), সাইনোসাইটিস ও একজিমা হতে পারে। ঘরোয়া জীবাণু মাইটগুলো খুবই ক্ষুদ্র কীট। এক মিলিমিটারের তিন ভাগের এক ভাগেরও কম লম্বা। মানুষের শরীরের ত্বক থেকে প্রতিনিয়ত মৃত কোষ ঝরে যায়। মাইটগুলো মানুষের শরীর থেকে ঝরে যাওয়া এসব মৃত কোষ খেয়ে বেঁচে থাকে।

হাজার হাজার মাইট ঘরের গরম ও আর্দ্র জায়গায় থাকতে পারে। বিছানার চাদর, বালিশের কাভার, লেপ-তোশক, কাঁথা-কম্বল, সোফা, মেট্রেস, নরম খেলনা, খাটের নিচে বা ওয়ারড্রোবের ওপরে রাখা জিনিসপত্র প্রভৃতি এদের আবাসস্থল।

এই মাইট প্রতিনিয়ত প্রচুর বিষ্ঠা ত্যাগ করে। জীবদ্দশায় একটি মাইট শরীরের ওজনের প্রায় দুইশ গুণ পরিমাণ বিষ্ঠা ত্যাগ করে। ঘরদোর, বিছানা, আসবাবপত্র প্রভৃতি যখন ঝাড়ু দেওয়া হয়, তখন এই বিষ্ঠাগুলো বাতাসে ভেসে ওঠে এবং সারা বাড়িতে ছড়িয়ে যায়।

এ বিষ্ঠাই আমাদের অনেকের অ্যালার্জির কারণ। আর এই অ্যালার্জির জন্য হতে পারে হাঁপানি। হে ফিভার, সাইনোসাইটিস ও ত্বকের রোগ একজিমা।

মাইট আপনার বা আপনার সন্তানের অ্যালার্জির কারণ কি না, চিকিৎসকের কাছে গিয়ে অ্যালার্জি স্কিন টেস্টের মাধ্যমে তা জানা যেতে পারে।

মাইটজনিত অ্যালার্জিক অসুখ-বিসুখ থেকে মুক্ত থাকতে হলে ঘরের মাইটের সংখ্যা অবশ্যই কমাতে হবে। কীভাবে কমাবেন।
–সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের ওয়ার হালকা গরম (৫৫০ সে·) পানিতে ধুয়ে নিন। ঠান্ডা পানিতে মাইট মরে না। তবে কিছু পানিতে চলে যায়, বিষ্ঠা ধোয়া হয়।
–কাপড়, লেপ, কাঁথা, কম্বল প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার রোদে শুকাতে দিন। রোদের অতিবেগুনি রশ্মিতে মাইট মারা যায়। তোশক, গদিও রোদে দেওয়া উচিত।
–খাটের নিচে বা ওয়ারড্রোবের ওপরে যত কম জিনিসপত্র রাখা যায়, চেষ্টা করুন।
–বাড়িঘরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রাখুন।
–ঘরের মেঝে প্রতিদিন ভেজা কাপড় দিয়ে মুছুন।
–ওয়াড্রোব ও আলমারির ওপরও মুছে দিন।

হেলথ টিপস
ডা· মো· শহীদুল্লাহ
সহযোগী অধ্যাপক, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ কমিউনিটি বেজড্‌ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, অক্টোবর ২৯, ২০০৮

Tag: অ্যাজমা, অ্যালার্জি, একজিমা, ত্বক, নাক, পা, সর্দি, হাঁপানি

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:শিশুর সমস্যা যখন তোতলানো
Next Post:শিশুর একটি জন্মগত হৃদরোগ

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top