চোখের প্রসাধনী
চোখের নানা প্রসাধনী ব্যবহার করেন নারীরা। এসব প্রসাধনী কি চোখের কোনো ক্ষতি করে? সাধারণত এতে ক্ষতি হয় না। তবে কখনো কখনো চোখের কর্নিয়ায় আঘাত, কনজাংটিভায় প্রদাহ, অ্যালার্জি, সংক্রমণ ইত্যাদি হতে পারে। আর সেগুলো হয় নানা অসাবধানতার কারণে।
অনেক সময় আই পেনসিল, কাজল বা মাসকারা লাগাতে গিয়ে চোখের কর্নিয়ায় আঘাত লাগে। ফলে জটিল পরিস্থিতি হতে পারে। এগুলো ব্যবহার করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। চলন্ত গাড়িতে কখনো এসব লাগাতে চেষ্টা করবেন না। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ ধাক্কা লাগবে এমন জায়গাতেও নয়। একেবারে ভেতরে না লাগিয়ে ল্যাশ লাইনের বাইরে লাগানো উচিত। যাঁরা কনটাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁরা আরও সতর্ক থাকবেন।
নিয়মিত চোখের প্রসাধনী পরিবর্তন করুন। মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লক্ষ করুন। চোখের পাতার ভেতরে যা লাগানো হয় তা তিন থেকে ছয় মাস ব্যবহার করা নিরাপদ। চোখের কোনো সংক্রমণের পর আগের প্রসাধনীগুলো পরিবর্তন করে ফেলাই ভালো।
কখনোই অন্যের ব্যবহৃত প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না। বিশেষ করে যেগুলো চোখের পাতার ভেতরের দিকে ব্যবহার করা হয়।
বেশির ভাগ কনজাংটিভার প্রদাহ ভাইরাস বা অ্যালার্জিজনিত। কোনো প্রসাধনীর কোনো বিশেষ উপাদানের প্রতি কারও সংবেদনশীলতা থাকতেই পারে। তা ছাড়া প্রসাধনীর কারণে প্রদাহ খুব একটা হয় না। তবে প্রদাহে আক্রান্ত হওয়ার সময় চোখের যেকোনো প্রসাধনী ও লেন্স ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
চোখের প্রসাধনী দিন শেষে অবশ্যই পরিষ্কার করে নিতে হবে। সাধারণত চোখের প্রসাধনী তোলার জন্য আলাদা ক্লিনজার বা রিমুভার ব্যবহৃত হয়। প্রসাধনী নিয়ে কখনোই মুখ-চোখ ধোয়া উচিত নয়।
ডা. পূরবী রাণী দেবনাথ, চক্ষু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল
সোর্স – দৈনিক প্রথম আলো, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭।





Lack of sleep is a major risk factor for depression
Leave a Reply