• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / কোমরে ব্যথা হলেই কিডনিতে পাথর নয়

কোমরে ব্যথা হলেই কিডনিতে পাথর নয়

November 15, 2013 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

কোমরের পেছন দিকে ব্যথা হলে বেশির ভাগ মানুষই প্রথম ভাবেন, কিডনিতে পাথর হলো না তো? কেবল কোমরে ব্যথাই এই রোগের লক্ষণ নয়।স্বাভাবিক প্রস্রাবেও এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা থেকে পাথর হতে পারে, যেমন: ক্যালসিয়াম, অক্সালেট, ইউরিক অ্যাসিড ক্রিস্টাল ইত্যাদি। আমাদের শরীর বিপাক ক্রিয়া ও বর্জন পদ্ধতির মাধ্যমে এসব উপাদান প্রস্রাবের সঙ্গে বের করে দেয়। কোনো কারণে এসব উপাদান বেশি তৈরি হতে থাকলে বা প্রস্রাবে এর পরিমাণ বেড়ে গেলে এগুলো ঘনীভূত হয়ে আকার ধারণ করে পাথরে পরিণত হয়। ৬৫ শতাংশ কিডনির পাথর ক্যালসিয়াম অক্সালেট, ১৫ শতাংশ ক্যালসিয়াম ফসফেট, ৩ থেকে ৫ শতাংশ ইউরিক অ্যাসিড, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পাথর সংক্রমণের কারণে হয়।কিডনি থেকে মূত্রথলি বা মূত্রনালি অবধি যেকোনো জায়গায় পাথর হতে পারে। তবে কিছু জায়গায় পাথর হওয়ার ও আটকে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। যেমন: কিডনি ও মূত্রনালির সংযোগস্থল এবং মূত্রনালি ও মূত্রাশয়ের সংযোগস্থল।কিডনিতে পাথর থাকলেও অনেক সময় রোগীর কোনো উপসর্গ থাকে না। অকস্মাৎ আটকে গেলে বা কোনো জটিলতা দেখা দিলে বা রুটিন পরীক্ষায় এটি ধরা পড়ে। সাধারণত বক্ষপিঞ্জরের ঠিক নিচে, পেটের পেছন দিকে ও পাশে ব্যথা হতে পারে। ব্যথা এখান থেকে তলপেটে, কুঁচকির কাছে ছড়িয়ে যায়। প্রস্রাবে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হতে পারে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাতও এর লক্ষণ। জ্বর, বমি বমি ভাব, কাঁপুনি ইত্যাদি সাধারণত সংক্রমণজনিত জটিলতা হলে হয়।
ঝুঁকি: পারিবারিক ইতিহাস বা আগে পাথর হওয়ার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষদেরই বেশি হয়ে থাকে। পানিশূন্যতা, গরম, অতিরিক্ত ঘাম ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত আমিষ, সোডিয়াম ও চিনিযুক্ত খাবার, ওজনাধিক্য, রক্তে ক্যালসিয়াম, ইউরিক অ্যাসিডের আধিক্য এর কারণ হতে পারে। কিছু বিশেষ ওষুধ কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।
কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি এড়াতে: প্রচুর পানি পান করুন। প্রস্রাবের রং গাঢ় ও ঘন হওয়ার অর্থ আপনার পানি পান কম হচ্ছে। খাদ্যের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন। অকারণে ক্যালসিয়াম বড়ি খাবেন না। উচ্চ অক্সালেটযুক্ত খাবার হলো বিট, পুঁইশাক, আঙুর, মিষ্টি আলু, চা, চকলেট, সয়া, টমেটো জুস ইত্যাদি। যাঁদের একবার অক্সালেট পাথর হয়েছে, তাঁরা এসব কম খাবেন। কিডনিতে পাথর হলে সেটি যন্ত্রের সাহায্যে গুঁড়ো করা বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বের করা হয়। খুব ছোট পাথর অনেক সময় এমনিতে বেরিয়ে যায়।

ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা
মেডিসিন বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল।

Tag: কিডনি, কোমর

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:আঁশযুক্ত খাবারে এত গুণ!
Next Post:আঘাতে দাঁত পড়ে গেলে

Reader Interactions

Comments

  1. মাছুম

    September 24, 2020 at 5:39 pm

    আমার অনেক দিন ধরে কোমরে ব্যথা,ব্যথাটা নাড়াচাড়া করে , ঘন ঘন পস্তাব হয়,মাঝেমধ্যে পস্রাব নালিতে জ্বালাপোড়া করে,আমার বয়স ২২ বছর।এমতাবস্থায় আমার কি করা প্রয়োজন একটু পরামর্শ দেন।

    Reply

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top