• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / বর্ষাকালের ফল পেয়ারা

বর্ষাকালের ফল পেয়ারা

July 29, 2010 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

বর্ষাকালের ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা হলো পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। পেয়ারার বৈজ্ঞানিক নাম সিডিয়াম গুয়াজাভা (Psidium Guajava)।
সারা পৃথিবীতে পেয়ারার অসংখ্য প্রজাতি রয়েছে। বিভিন্ন দেশের পেয়ারার গঠন, স্বাদ, বীজ, উদ্ভিদের গঠনও ভিন্ন। কম চর্বি ও ক্যালোরিযুক্ত এই ফল সব বয়সের জন্য প্রয়োজনীয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’। ‘এ’ ও ‘সি’ ত্বক ও চুলে পুষ্টি জোগায় এবং দেহের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। ভিটামিন ‘এ’ চোখের পুষ্টি-ঘাটতি দূর করে, দেহের রোগজীবাণু ধ্বংস করে, মুখের ঘা প্রতিহত করে। আর ভিটামিন ‘সি’ প্রায় সব বয়সের মানুষের জন্য প্রতিদিন দরকার। পেয়ারার ভেতরের অংশের চেয়ে বাইরের ত্বকে রয়েছে অপেক্ষাকৃত বেশি ভিটামিন ‘সি’। অর্থাৎ খোসাসহ পেয়ারা বেশি উপকারী।
পেয়ারার ভিটামিন ‘সি’ শরীরকে মৌসুমি রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে; দেহের যেকোনো কাটাছেঁড়া, ঘা, চর্মরোগ দ্রুত দূর করে; দাঁতের মাড়ি মজবুত করে। পেয়ারায় রয়েছে ফ্ল্যাভিনয়েড নামের (বিটাক্যারোটিন, লুটেইন, লাইকোপেন, ক্রিপ্টোজ্যানথিন) উপাদান, যা রক্ত পরিষ্কার করে এবং ফুসফুস, প্রোস্টেট, স্তন, পাকস্থলী ও মুখের ক্যানস্যারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন, যে ব্যক্তি যত বেশি পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ খাবে, তা তার দেহে ক্ষতিকর সংক্রামক রোগগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে তত বেশি। আর পেয়ারা এমনই একটি ফল, যা এই যুদ্ধে সাহায্য করবে। ফলটি ত্বক কুঁচকে যাওয়া ও অকালবার্ধক্য রোধ করে, তারুণ্য বজায় রাখে দীর্ঘদিন।
পেয়ারার খোসায় রয়েছে ফাইবার বা আঁশজাতীয় উপাদান। ফাইবার খাবার হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পেয়ারায় ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্সের মধ্যে রয়েছে প্যানটোথেনিক এসিড, নিয়াসিন, পাইরিডকসিন ‘বি’। ভিটামিন ‘বি’র অভাবে বেরিবেরি রোগ ও বদহজম হয়।
পেয়ারায় ‘ই’ ও ‘কে’ নামে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ভিটামিন। ‘ই’ সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। যকৃৎ ও গলব্লাডারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। আর ভিটামিন ‘কে’ নারীর ঋতুস্রাবে রক্তক্ষরণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখে; রক্তশূন্যতা, ত্বকে কালচে দাগ পড়া, নাক-মাড়ি থেকে রক্তপাত দূর করে। ভিটামিন ‘কে’র অভাবে হাড় ও হূৎপিণ্ডের দুর্বলতা দেখা দেয়।
পেয়ারায় আরও রয়েছে প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এগুলোর মধ্যে ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ উল্লেখযোগ্য। এই পদার্থগুলো দেহের লবণ ও অম্ল-ক্ষারের পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে। আর কপার রক্তের লোহিত বা লাল রক্তকণিকার উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
পুষ্টিতে সমৃদ্ধ এই ফলটিকে সবার গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। পূর্ণবয়স্ক সবাই প্রতিদিন অন্তত একটি হলেও পেয়ারা খান। তবে সবাই পেয়ারার বীজ হজম করতে পারে না। হজমের সমস্যা এড়াতে বীজ ফেলে দেওয়াই ভালো।

ফারহানা মোবিন
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ২৮, ২০১০

Tag: ঋতুস্রাব, কপার, কোষ্ঠকাঠিন্য, গলব্লাডার, চর্বি, পাকস্থলী, পুষ্টি, ফারহানা মোবিন, ফুসফুস, ভিটামিন, মাড়ি, ম্যাগনেশিয়াম, রক্তক্ষরণ

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:কফি খান হৃৎস্পন্দন ঠিক থাকবে
Next Post:বর্ষায় ত্বকের ছত্রাক থেকে সাবধান

Reader Interactions

Comments

  1. মামুনpb

    June 5, 2012 at 11:55 am

    তিনটা ফল যেন আমার জীবনে আমার জন্যে নিষিদ্ধ না হয়।এর মধ্যে পেয়ারা,জাম এবং লিচু।

    Reply

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top