• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেন হলে

মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেন হলে

February 22, 2010 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

মাইগ্রেন কি ? :

মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা যা অত্যন- কষ্টদায়ক। শতকরা প্রায় ২০ ভাগ লোক কোন না কোন সময়ে এই ধরনের মাথাব্যথায় ভূগে থাকেন। যাদের মাইগ্রেন নেই তারা ধারনাও করতে পারবেন না কতটা কষ্টদায়ক এই রোগ। মাইগ্রেন কথাটির অর্থ আধা মাথা ব্যথা। প্রচণ্ড মাথাব্যথার সাথে বমিও হতে পারে। মাইগ্রেন ব্যথার উপসর্গ ঃ মাইগ্রেনব্যথার সাথে বহু ধরনের উপসর্গ থাকতে পারে। এর মধ্যে প্রাধান হচ্ছে, চোখ অস্বচ্ছ দেখা, চোখের সামনে ছোট ছোট আলোর বিন্দু দেখা, বমি বমি ভাব, মাথার ভিতরে ধপ ধপ করা ইত্যাদি।

মাইগ্রেন ব্যথার কারণ: মাইগ্রেন মাথাব্যথার সঠিক কারণ আজ পর্যন- খুঁজে পাওয়া যায়নি তবে, বলা হয়ে থাকে যে, ব্রেনের ভিতরে রক্তবাহী নালীসমূহ কোন কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মসি-ষ্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। বমি না হওয়া পর্যন- এই ব্যথা কমে না। মাইগ্রেন মাথাব্যথা একবার শুরু হলে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন- একাধারে চলতে পারে। এমন কি, স্বাভাবিক কাজ বা পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আমেরিকাতে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার সব চেয়ে বড় কারণ মাইগ্রেন।

মাইগ্রেন ব্যথা হওয়ার আগে: যাদের মাইগ্রেন ব্যথা আছে, তাদের অনেকগুলো পূর্বাভাস ব্যথা ওঠার আগে অনুভূত হতে পারে। টেনশন, পরীক্ষা বা চাকুরির অত্যন- চাপ, মানসিক অশানি-, বাস বা গাড়ীতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশীক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত: খুব বেশী মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। ক্লাসিক মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই রোগী বুঝতে পারে যে, ব্যথা আসবে, কেউ কেউ চোখের সামনে আলোক বিন্দু দেখতে পান। আলো বিন্দুগুলো চোখের সামনে কাঁপতে থাকে এবং ধীরে ধীরে বড় হয়। কারো শরীরের একটা অংশ অবশ লাগতে পারে। এই ধরনের মাইগ্রেন যাদের থাকে, তাদেরপ্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে, বমি হয় এবং ব্যথা ২-৩ ঘন্টা বা তারও বেশী সময় থাকে। জটিল মাইগ্রেন যাদের হয়, তাদের মাথাব্যথার সাথে অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ দেখা যায়। গুচ্ছ মাইগ্রেন সব মাথাব্যথা থেকে বেশী গুরুত্বর। প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সাথে সাথে নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ দিয়ে পড়া, গাল লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন এই ব্যথা চলতে থাকে। কখনও এক বা দুই সপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছট ফট করেন বা ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়।

মাইগ্রেন রোগের চিকিৎসা: প্রথমেই বুঝতে হবে যে,কারো মাইগ্রেন থাকলে কোন ওষুধে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব নয়। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোন না কোন সময়ে কোন না কোন কারণে এই মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত: ব্যথার ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল খেলেই কাজ হয়। যদি মাইগ্রেন বার বার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বার বার ব্যথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওযা হয়। কখনও কখনও সামান্য চশমার পাওয়ার দিতে হয়। মাইগ্রেনের মতো মাথাব্যথা অন্যান্য জটিল নিউরোলজিক্যাল রোগও হতে পারে। তাই যদি বার বার মাথাব্যথা হয় বা খুব বেশি মাথাব্যথা হয়, তবে কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। ডাক্তার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে এবং ওষুধ দিলে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে। শেষ কথা: মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা। শিশুদেরও মাইগ্রেন হতে পারে। যাদের মাইগ্রেন থাকে, তাদের মাঝে মাঝে মাথাব্যথা হবেই। যখন প্রয়োজন, যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ওষুধ খেতে হবে কারণ সব ওষুধই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। মাইগ্রেন ধরা পড়লে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। তবে অন্যান্য অনেক রোগেও মাথাব্যথা হতে পারে। তাই মাইগ্রেন জাতীয় ব্যথা হলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো উচিত এবং সঠিক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত। মাইগ্রেন ব্যথা কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। সকল নিউরোলজিক্যাল, চক্ষু, নাক, সাইনাস, দাঁত ইত্যাদি পরীক্ষা করেই শুধুমাত্র নিশ্চিত হওয়া সম্ভব রোগটি মাইগ্রেন কিনা। এই রোগের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করা উচিত। মাইগ্রেন ব্যথার জন্য বহু ধরনের ওষুধ রয়েছে। এক এক রোগীর এক এক প্রকারের ওষুধে ভাল কাজ হয়। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ মাত্রায় খাওয়া উচিত। জটিল বা হঠাৎ মাথা ব্যথা হলে সব পরীক্ষা করার পর নিশ্চত হলে তবেই আপনার ডাক্তার আপনাকে সঠিক ওষুধ দিতে পারবেন। অন্য কোন রোগের জন্য মাথা ব্যথা হলে তার চিকিৎসাও সঙ্গে সঙ্গে করা উচিৎ। মাথা ব্যথা হলে অবহেলা না করে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

অধ্যাপক ডা: এস এম মুনীরুল হক
অধ্যাপক চক্ষু বিভাগ, হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০১০

Tag: গরম, ঘুম, চশমা, চোখ, টেনশন, দাঁত, নাক, পা, প্যারাসিটামল, বমি, মাসিক, রক্ত, শিশু, সাইনাস

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:ওষুধ তথ্য : ক্যান্সার রোগীদের জন্য
Next Post:শ্বাসতন্ত্র বিকল হলে

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top