• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / রক্তচাপ মাপার সহজ নিয়ম

রক্তচাপ মাপার সহজ নিয়ম

January 30, 2008 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

কেস স্টাডি
কালাম সাহেব (কাল্পনিক নাম) হন্তদন্ত হয়ে চিকিৎসকের রুমে ঢুকে পড়লেন। বললেন, ‘স্যার, প্রেসার বেড়ে গেছে। এখনই স্ট্রোক করবে। বাঁচব না স্যার। কাইন্ডলি দেখুন।’ চিকিৎসক তাঁকে শান্ত করলেন। কয়েক মিনিট বিশ্রামে রাখলেন। তারপর রক্তচাপ মেপে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভয় কিসের! আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিক। ওপরে ১৩০, নিচে ৮৫। কালাম সাহেব আশ্বস্ত হলেন। তবে কি ওরা ভুল মেপেছে! এক জায়গায় বলল ১৫০/৯৫। আরেক জায়গায় ১৬০/৯০।

চিকিৎসক তাঁকে শান্ত রেখে বললেন, যেখানে-সেখানে রক্তচাপ মাপা উচিত নয়। তা ছাড়া রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে যখন-তখন, যেখানে-সেখানে মাপবেন না। ভুল মাপা আরও উচিত নয়। এ চিন্তা থেকেও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

প্রয়োজনে রক্তচাপ মাপুন নিজে নিজে, বাড়িতেই। কিন্তু সঠিক বা সাধারণ নিয়মে। প্রতিদিন মাপার প্রয়োজন নেই। শান্ত হয়ে বসুন। কমপক্ষে পাঁচ মিনিট বিশ্রাম নিন। কফি বা ধূমপানের অভ্যাস থাকলে রক্তচাপ মাপার আধঘণ্টা আগে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। সোজা হয়ে বসতে হবে মেঝেতে পা সোজা করে রেখে। পিঠ ও হাত টেবিলের ওপর রাখতে হবে-হাত যেন হৃৎপিন্ডের সমতলে থাকে।
যদি দুই হাতে দুই রকম রক্তচাপ থাকে, তবে যে হাতে বেশি রক্তচাপ, তা মাপতে হবে। মাপার আগে সঠিক সাইজ কাফ ব্যবহার করা উচিত।

রক্তচাপ-মাপক যন্ত্রটিও হতে হবে উপযুক্ত ও আধুনিক। একবার নয়। দু-তিন মিনিট ব্যবধানে কমপক্ষে দুবার মাপুন। তারপর গড় রক্তচাপ লিখে রাখুন। রক্তচাপ মাপতে গিয়ে প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য নিন। জটিল পদ্ধতিতে নয়, সহজ নিয়মে নিজের বাড়িতেই রক্তচাপ মাপুন। যেখানে-সেখানে, ওষুধের দোকানে যাকে-তাকে দিয়ে যখন-তখন রক্তচাপ মাপা ঠিক নয়। এ বদভ্যাস থেকেও রক্তচাপ বেড়ে যাবে চিন্তায় ও অস্থিরতায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? শুধু ওষুধ খেলেই চলবে না। কিছু বদভ্যাস ত্যাগ করুন। ভালো অভ্যাসে সচেষ্ট হোন। যেমন-ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা বন্ধ করুন একেবারে। সরাসরি রক্তচাপ না কমালেও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। ফলে ওই রক্তচাপ কমানোর যে চিকিৎসা দেওয়া হয়, এতে ভালো ফল পাওয়া যায়।

শরীরের ওজন ঠিক রাখুন। অর্থাৎ ওজন বেড়ে গেলে ওই রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই সামান্য ওজন কমালেও তা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

নিয়মিত ব্যায়ামে যেমন শরীরের ওজন ঠিক থাকে, তেমনি উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকিও কমে যায়। প্রতিদিনই ঘরে হালকা কাজ করুন। ঝুঁকি কমবে। আর পাতে আলাদা লবণ খাবেন না।

পাতে আলাদা লবণ খাওয়া বন্ধ করে দিলে উচ্চ রক্তচাপও কমে যায়। রক্তচাপ বৃদ্ধির প্রবণতা কমে যায়।

আজকাল মানুষ যেমন শারীরিক চাপে থাকে, তেমনি থাকে মানসিক চাপেও। দুটোই রক্তচাপ বাড়ায়। আস্তে আস্তে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। তাই শারীরিক ও মানসিক চাপ কমান।

বেশি করে শাকসবজি, ফল ও মাছ খান। এসব স্বাস্থ্যকর খাবার রক্তচাপ যেমন নিয়ন্ত্রণে রাখবে, তেমনি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমাবে। তাই অভ্যাসের পরিবর্তন করুন। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং মাঝেমধ্যে সাধারণ নিয়মে রক্তচাপ মাপুন।

সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো,
লেখকঃ ডা· এস কে অপু

Tag: উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, ব্যায়াম, মানসিক চাপ, রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, হৃদরোগ

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:ত্বকঃ দেহের মৌচাক
Next Post:কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top