• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / গরমে শিশুর স্বাস্থ্য-সমস্যা ও খাবার

গরমে শিশুর স্বাস্থ্য-সমস্যা ও খাবার

April 29, 2009 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনা দরকার। এতে শরীর সুস্থ ও শীতল থাকে। গরমের সময় শিশুদের বেশ কিছু সমস্যা দেখা যায়। যেমন-ডায়রিয়া, ঘামাচি, হাম, গরমজনিত সর্দি-কাশি, প্রস্রাবে সংক্রমণ ইত্যাদি।

ডায়রিয়া
প্রচণ্ড গরমে শিশুদের পেটের অসুখ লেগেই থাকে। পানিশূন্যতা ও পায়খানা বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই স্যালাইন দিতে হবে। এরপর দিতে হবে উচ্চ ক্যালরির সহজপাচ্য খাবার। অহেতুক ভয়ে কম খাবার দিতে থাকলে শিশু ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়বে। এ সময় দিতে হবে মাছের হালকা ঝোল, ভালোভাবে সেদ্ধ করা ডাল ও ডালের পানি, মুরগির স্যুপ, শসার স্যুপ, চিঁড়ার পানি, হালকা তেলে আলুর ডালনা ইত্যাদি। মসলা যত কম দেওয়া যায় তত ভালো।

ঘামাচি
এটি একটি যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। এতে শিশুর খুব কষ্ট হয়। অনেক সময় চুলকাতে থাকে বলে ত্বকে ঘা দেখা দেয়। এ জন্য প্রয়োজন শরীরে যাতে ঘাম ও ধুলোবালি না জমে সেদিকে লক্ষ রাখা। শরবত খাওয়াতে পারলে ভালো হয়। লেবু অথবা যেকোনো ফলের রস দিয়ে শরবত করা যেতে পারে। অর্থাৎ শরীর ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখতে পারলে ঘামাচি থেকে শিশুকে মুক্ত রাখা যাবে।

হাম
হাম হলে একেবারে নিরামিষ খাবার দিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। রোগের সঙ্গে লড়াই করার জন্য চাই যথোপযুক্ত খাবার। পানি ছাড়াও দিতে হবে লবণ+পানি, বার্লির শরবত, পাতলা সাগু, পাতলা সুজি, মাংস ও সবজির পাতলা স্যুপ। হাম কমে গেলে প্রোটিনযুক্ত খাবার, যেমন-মাছ, মাংস, ডিম, দুধ দেওয়া যাবে।

সর্দিজ্বর
শিশুদের নিয়ে খুব রোদে ঘোরাঘুরি করলে বাইরের তাপ ও শরীরের তাপের মধ্যে সমতা থাকে না বলে জ্বর হতে পারে। এ জন্য কড়া রোদে তাদের চলাফেরা করতে না দেওয়াই ভালো। এ সময় তাদের ফলের রস ও হালকা মসলা সহযোগে খাবার দিতে হবে। জ্বর হলে শরীরে সঞ্চিত শর্করা খরচ হতে থাকে। এতে অ্লাধিক্য দেখা দেয়। এ সময় শরীর থেকে প্রচুর পানি, ঘাম ও প্রস্রাব বেরিয়ে যায়। দেহের উত্তাপ যত বাড়তে থাকে, প্রস্রাবে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ততই বাড়তে থাকে। অর্থাৎ প্রোটিন ক্ষয় হতে থাকে। এ কারণে শিশু অল্পদিনে দুর্বল হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় শিশুকে ফলের রস দিলে খাবারের রুচি বাড়বে এবং স্যুপ খাওয়ালে ক্ষুধা বাড়বে। ফলে শিশুরা খেতে আগ্রহী হবে।

প্রস্রাবে সংক্রমণ
প্রখর রোদের তাপে প্রচুর ঘাম হয় বলে শরীর থেকে অনেক লবণ বা সোডিয়াম বেরিয়ে যায়। এটা যদি পূরণ করা না হয়, তাহলে শিশুর পানিশূন্যতা দেখা দেবে। ফলে খিঁচুনি হওয়ায় ঝুঁকি বাড়বে। এ ছাড়া প্রস্রাবে সংক্রমণ দেখা দিয়ে জ্বর হতে পারে। এ জন্য গরমের সময় শিশুদের শরবত, স্যুপ, খাওয়ার পানি সে পরিমাণে দিতে হবে, যতক্ষণ না তাদের প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক হয়। পানি শরীরের ভেতরকে পরিশোধিত করে। তাই গরমের সময় শিশুদের সুস্থ রাখতে হলে তাদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে যেমন নজর দিতে হবে, তেমনি খাওয়াদাওয়ার প্রতিও হতে হবে বিশেষ যত্নশীল।

আখতারুন নাহার
প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা
বারডেম
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, এপ্রিল ২৯, ২০০৯

Tag: ঘামাচি, ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, শিশু, হাম

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:কাটিয়ে উঠুন মানসিক চাপ
Next Post:এই গরমে সুস্থ থাকুন

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top