• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Health Tips

Bangla Health Tips, News and Information (বাংলা হেলথ টিপস)

হোম / স্বাস্থ্য সংবাদ / ব্যথানাশক ব্যবহারে সতর্ক হোন

ব্যথানাশক ব্যবহারে সতর্ক হোন

February 10, 2009 Category: স্বাস্থ্য সংবাদ

আমাদের দৈনন্দিন জীবনপ্রণালী ও খাদ্যে বিভিন্ন উপাদানের অভাব ব্যথানাশকের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের দেশে কোনো নীতিমালা না থাকায় হরদম বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ দোকান থেকে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কিনে খায় লোকজন। যে কারণে বা যেভাবেই ব্যথার ওষুধ খাই না কেন, এর ব্যবহারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। অনিয়ন্ত্রিত বা মাত্রাতিরিক্ত ব্যথানাশক শরীরের বিশেষ ক্ষতি করতে পারে।

ব্যথানাশক মূলত কাজ করে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরিতে বাধাদানের মাধ্যমে। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন শরীর ফোলা ও ব্যথার জন্য দায়ী। ব্যথানাশক শরীরে সাইক্লো অক্সিজেনেস থেকে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরি হতে দেয় না, ফলে ব্যথার অনুভূতি হয় না। কিন্তু প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন শরীরে ব্যথার অনুভূতিই শুধু জাগায় না, অন্য কাজও করে। এক ধরনের প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন আছে, যেটি পরিপাকতন্ত্রের উপরিভাগে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করে। কিন্তু ব্যথানাশকের প্রভাবে এই প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরি না হওয়ায় মিউকাস লেয়ারে ক্ষত হয়।

ফলে গ্যাস্ট্রিক ও ক্ষত বা আলসার হয়। কক্স-২ ইনহিবিটর নামের যে নতুন ব্যথানাশক বাজারে আছে, সেগুলো ব্যথার জন্য দায়ী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরিতে বাধা দিলেও যে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন পরিপাকতন্ত্রে প্রতিরোধী আবরণ তৈরি করে তাকে বাধাগ্রস্ত করে না। ফলে গ্যাস্ট্রিক বা আলসার হয় না। কিন্তু এ-জাতীয় ব্যথানাশকে হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। আজকাল গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্ত থাকার জন্য ডাইক্লোফেনাকের সঙ্গে মিসোপ্রোস্টোল যুক্ত করে নতুন ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে।
মনে রাখা দরকার, মিসোপ্রোস্টোল গর্ভপাত ঘটায় এবং বিকলাঙ্গ শিশু জন্মানোর ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গর্ভবতীদের কখনোই এ ওষুধ দেওয়া উচিত নয়। ব্যথানাশক যথাসম্ভব ব্যবহার না করা উচিত যেসব ক্ষেত্রে তা হলো-
গর্ভাবস্থা, শিশুকে বুকের দুধ দেন এমন মায়েরা, রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেতে থাকলে, গ্যাস্ট্রিক বা আলসার থাকলে।
ব্যথানাশকের অপব্যবহারে যে শুধু গ্যাস্ট্রিক বা আলসার হয় তা নয়, এ থেকে রক্তক্ষরণও হতে পারে। মাথা ঘোরা, বমি, পাতলা পায়খানা, চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া প্রভৃতিও হতে পারে। হাঁপানি থাকলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। কিডনি ও যকৃতের সমস্যাও হতে পারে। তাই ব্যথানাশক ব্যবহারে একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার, যদি যকৃতের সমস্যা, কিডনির সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও হাঁপানি থাকে।

অল্প ব্যথায় বরফ দিলে বা গরম সেঁক দিলে উপকার পাওয়া যায়। অনেকে ব্যথার জন্য দামি ও নতুন আবিষ্কৃত ওষুধ ব্যবহার করতে চান। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন ওষুধে গ্যাস্ট্রিক কম হলেও কার্যক্ষমতা প্রচলিত ওষুধের চেয়ে কম। ব্যথানাশক যদি খেতেই হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শমতো ও পরিমিত খাবেন।

ডা· আবু সাঈদ শিমুল
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ফেব্রুয়ারী ১১, ২০০৯

Tag: আলসার, কিডনি, গর্ভপাত, চুলকানি, ত্বক, বমি, রক্ত, রক্তচাপ, শিশু, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, হৃদরোগ

You May Also Like…

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ বছর আগেই টের পাওয়া যায়, সতর্ক হবেন কীভাবে

কোলন ক্যানসার

কোলন ক্যানসারকে আইবিএস ভেবে ভুল করছেন না তো?

ক্যানসার

বংশে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনি কতটা ঝুঁকিতে

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা

Previous Post:নারীস্বাস্থ্য সমস্যা
Next Post:লালাগ্রন্থির যত্ন

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Bangla Health Tips – Bangla Library – Bangla PDF

top